আপার মুস্তাং ট্রেক (নেপাল)

লেখাঃ চরন্তি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে মার্চ, ২০২৩

সংক্ষিপ্ত বিবরণ – সংরক্ষিত এলাকা হওয়ায় আপার মুসতাং অঞ্চলে বছরে ৩০০০ এর বেশী ট্রেকার/ট্যুরিস্টদের পারমিট দেয়া হয়না। এ অঞ্চলে ভ্রমণের মৌসুম এপ্রিল থেকে নভেম্বর। আপার মুসতাং ট্রেকে অনেক উচ্চতা অতিক্রম করতে না হলেও এ অঞ্চলের ঠান্ডা, ধুলা, দুপুরের পর রুক্ষ বাতাস মোকাবেলা করা কঠিন। যা নেপালের অন্যান্য রুটে ট্রেক করার তুলনায় অনেকটা নিরানন্দ এবং অপ্রীতিকর। নির্ধারিত মূল্যের বিনিময়ে ১০ থেকে ১৩ দিনের পারমিট পাওয়া যায়। আপার মুসতাং এর প্রবেশদ্বার কাগবেনি থেকে লো মানথাং পর্যন্ত গিয়ে নির্ধারিত দিনের মধ্যে কাগবেনি ফিরে আসতে হয়। পুরো আপার মুসতাং অঞ্চল জুড়ে জীপ চলাচলের উপযোগী রাস্তা আছে। পর্যটকরা সামর্থ্য অনুযায়ী বিভিন্ন গন্তব্যে জীপ রিজার্ভ করতে পারেন। এছাড়া ঘোড়ায় ট্রেক করারও ব্যবস্থা আছে। বিভিন্ন ক্যাম্প সাইটে ট্রেকাররা লজের পরিবর্তে তাবুবাসও করতে পারেন।

মুক্তিনাথ থেকে কাগবেনির উদ্দেশ্যে হাঁটা শুরু
কাগবেনির পথে
মুক্তিনাথ কাগবেনি অঞ্চলে অনেকে সাইক্লিং করে
দূর থেকে কাগবেনি শহরের দৃশ্য
কালি গন্দকি নদীতে সন্ধা, কাগবেনি
কাগবেনি শহরের শেষ সীমানা
কাগবেনি থেকে চেলের পথে কালি গন্দকি নদী
কাগবেনি থেকে চেলের পথে
কাগবেনি থেকে চেলের পথে
কাগবেনি থেকে চেলের পথে
কাগবেনি থেকে চেলের পথে
কাগবেনি থেকে চেলের পথে
কালিগন্দকি ব্রীজ, চেলে
চেলে গ্রাম
চেলে গ্রাম
চেলে লা গ্রাম
সিয়াংমোচেনের পথে
ঘেমির পথে
ঘেমির পথে
ঘেমি ক্যাম্প সাইট
ঘেমি গ্রাম
ঘেমি গ্রাম
ঘেমি গ্রাম
ঘেমি গ্রাম
সারাং এর পথে
দীর্ঘতম মানি ওয়াল, সারাং
সারাং এর পথে
সারাং এর পথে
সারাং এর পথে
সারাং
দূর থেকে লো মানথাং শহর