আমার দেখা নিঝুম দ্বীপ
লেখাঃ চরন্তি ডেস্ক
রবিবার, ২৬শে মার্চ, ২০২৩আশু বিপদের আঁচ করলে হরিণীরা এগিয়ে আসবে পুরুষরা না এটাই হরিণ পালের প্রথা ।
কালের অবক্ষয়ে জীর্ণ জেলা পরিষধের পুরানো ডাকবাংলো, পাশেই নতুন দালান আর অদুরে দ্বীপের পশিমআকুল ।

শেষে শিক্ষার্থীরা মনের আনন্দে খেলতে দেখে ভাবি কবে এমন দৃশ্য সহরেও দেখতে পাব যেখানে নতুন প্রজম্ম নিরাপদে বেড়ে উঠতে পারবে

আগাগোড়া কাঁদার পুতুল আমি কনে দেখা রোদের উস্নতায় সুখ, চারপাশে শতশত চিত্রা সবুজ গালিচার সীমান্তে যতদূর চোখ যায় শুধু হরিণ আর হরিণ ।

বিস্তীর্ণ ধুধু প্রান্তরের বুকচিরে বয়ে চলে কত নদীনালা, দূরে দূরে একটা দুটা ঘরবাড়ী এটাইতো নিঝুম দ্বীপ।

ঝড়ে ফসলের বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তাও ব্যস্ত কৃষকেরা ফসল তোলায় ঘরে। দোরগোড়ায় দাড়িয়ে নবান্ন উৎসব।

বাদাবনের শেষে সবুজ গালিচার প্রান্তরে মহিষের পাল নিয়ে রাখাল বালক ছোটে।

বেলাশেষের ঘণ্টা যখন পরে রাখালিয়ার দল ফিরে ঘরে, মরা গাছ একা ঠায় দাঁড়িয়ে রাতের তারার সাক্ষী হতে নিঝুমের প্রান্তরে।

দমার চরে যাওয়ার জন্য নৌকায় উঠতে যাবো হটাৎ দেখি একাকী একচালা বাড়ি, যেন আমায় বলছে সময় করে এসো একবার অমাবস্যার রাতে তারা গুনব সাথে ।

দমার চরে জলচর পাখির ঝাঁক।

শীতের শান্ত সকালের নরম রোদ যখন কুয়াশার চাঁদরে আলশামিতে ব্যস্ত ক্যামেরা কাধে বেড়িয়ে পরি আমরা দেশী পাখির ছবি তুলতে।
